ম্যাক্রমি শেলফ
এবার হোক দেওয়ালে বিলাসিতা
শান্ত বিকেলের আলো জানালা দিয়ে ঘরে ঢুকছে। হালকা বাতাসে সাদা ও নীল পর্দা মৃদু দুলছে। রুমের এক কোণে, ফাঁকা দেয়ালে ঝুলছে একটি ম্যাক্রমি শেলফ। সেই শেলফ এর ভাঁজগুলোতে পড়ছে বিকেলের গোধূলির আলো। সবকিছু মিলিয়ে যেনো দৃষ্টি আটকাচ্ছে বারবার দৃষ্টিনন্দন শেলফটায়।
সায়রা সবসময় চেয়েছিল তার ঘরের ছোট্ট রিডিং কর্নারটা পিন্টারেস্ট লুকে সাজাতে। খুব এক্সপেন্সিভ নয় তবে এমন কিছু যা দেখলেই একটা অ্যাস্থেটিক ভাইব আসবে।
একদিন সে দেয়ালে ঝুলিয়ে দিল একটি হ্যান্ডমেড ম্যাক্রমি শেলফ। শেলফটি সে নিয়েছিলো চতুর্ভুজ থেকে তার নতুন অফিসের কিছু জিনিসপত্র গুছিয়ে হাতের কাছে রাখার জন্য। তবে সেটি দেখার পর সায়রা আর লোভ সামলাতে না পেরে রেখে দিলো নিজের রুমে।
এবার ব্যস্ত হয়ে পড়লো সে কি করে এটিকে গুছিয়ে রাখা যায়।
প্রথমে রাখলো একটি ছোট মানিপ্ল্যান্ট।
তার পাশে দু’টি প্রিয় বই।
আর একটি ছোট সুগন্ধি মোমবাতি।
হঠাৎ করে কোণাটা বদলে গেল। ততক্ষণে সন্ধ্যা গড়িয়ে প্রায় রাত…
ঘরের পরিবেশে চলে এলো এক ধরনের উষ্ণতা, যেটা শুধু এক্সপেন্স দিয়ে হয় না, হয় যত্ন দিয়ে। যেমনটা যত্ন ও সময় দিয়ে সায়রা সেটা গুছিয়েছে, এছাড়া এর প্রতিটি গিঁটতো ধৈর্যের গল্প।
প্রতিটি বুনন যেন মনে করিয়ে দিচ্ছে সৌন্দর্য আসে সরলতা ও ধৈর্য থেকে।
এই ম্যাক্রমি শেলফ শুধু জায়গা বাঁচায় তা না, এটি দেয়ালের ফাঁকা ভাব দূর করে।
ছোট অ্যাপার্টমেন্টে, স্টাডি রুমে, বেডসাইডে কিংবা ক্যাফের কোণে — যেখানেই থাকুক, এটি নজর কাড়ে নীরবে।
বহন করে জানা-অজানা নানান রঙের গল্প।










